The Voidist

Ever happened that it’s late night and you are bound to lay in your bed (because your parents want you to) but there is no sleep, not even the slightest amount of it, so you just lay on your back and stare at the revolving blades of the ceiling fan? And that all you hear is slow ticking of the seconds-arm of the clock, sometimes loud and sometimes faded so you just can’t keep track of how many seconds (or minutes) have literally passed without a feeling of tiredness, when you are absolutely required to feel it any how? And also the throbbing of your heart when you lie on your belly, but when you start counting the number of throbs you here, it vanishes and disturbs your counting, fades away, but suddenly re-emerges after a moment, or two, as if its fate is to hamper your only job at that very jobless instant? What you do? You get up and go to the washroom. But you aren’t, astonishingly, able to do anything upon returning from the holy place. Because you feel tired. So you just switch off the light and go to bed, again, only to realise that, within a few moments, all tiredness has vanished and that you can work with gusts of energy waiting to flow out of you like the potential energy of a reservoir filled with water behind a check-dam. And it is already too late, probably the owl that resides in a nearby tree has also gone sleeping. After laying there for a few more time, a layman term to denote the absence of knowledge of the quantity of time that has brushed pass you, you hear the last round of the night guard is over, by the shrill whistle he produces by allowing air from his oral vestibules to flow through a small tube creating a ‘small wind’ in the area near his mouth, and that the noise envelopes all the region around you to make you feel protected, while at the same time disturbs the calmness and dullness that has precipitated in the air around you, even doing away with the noise of the fridge coming from downstairs, the rhythmic ticking of the clock and the throbbing of your arteries. Whatever happens you cease to change, rather your state of tired-yet-not-tired prevails. So you again stare at the fan and the illusory circular disc, inevitably noticing the illusory gap between the central disc and the circular disc, and, so, it strucks deep in your mind that there, maybe, is a magic existing in the fan which is making it impossible for the disc to fall on you and slit you into a thousand pieces! So you make a ninety degree rotation and stare at the door but nothing happens. You turn again and again and, yet, again with nothing revolutionary happening to alter the state. And you feel restless. But you can’t watch TV because others are sleeping, you are destined to as well at this hour of the day. You can’t change places, but rotate at that same place of the bed for countless times. And you grow restless. You can’t sleep, you can’t not either. This is the Void. A state where you can do everything but unable to do anything. And you don’t know why. So you stare blankly. For other person you might be perceived as some creepy person staring at someone, if you are in public. But no. You are not. You aren’t staring at something or someone. You are staring at the Void. The void is the void. It’s a state. The void, in it’s entirety a summation of nothingness, maybe a superlative degree of nothingness for the mind. You stare at it. And stare. And continue to stare.


The Eternal Love…

I meant to write my first love letter for a lady whom I have been loving since I met her, almost four years back (let’s keep it 3¾ years). When I sat with my diary, I couldn’t write a single thing. But then two days later, I wrote it down in my cell phone, made it into a pdf and sent her. There was thrill, that too lot of it and fear- what if she doesn’t like it. Still I did send it to her… Guess what? She liked it.

I intended to write a letter, but it looks like a poem. I don’t know what to call it- a poetter” or a “lettoem”? I’ll go with the latter name.

Here it goes… For my lovely, Aador.

The Eternal Love…

Don’t let me finish this letter;

let this simple letter, from me to you, symbolise the love that I have for you, and only you,

and the feelings, my heart has known since the time I met you,

that I have saved in a simple, yet protected, folder in my Internal Storage;

let this simple letter reserve my soul in yours, and yours in mine, while preserving the bond for eternity;

let this letter carry our souls in the distant future, even when our bodies depart our Mother Earth;

for I believe that the love we have, for each other, is strong enough to overcome any individual obstacle;

for I have seen, what impact it already had in my life in the past three years;

for I want our love to never experience the dusk, even when the human civilization comes to an end

and, thus, prevent humanity to disappear into Oblivion;

for I have faith in our love, that it would help spread the Religion of Love through love and not hate

in, not only the generations to come, but, also, the civilizations that would thrive in our Mother Earth;

for I trust you to be the only lady with whom I can express my love,

even in front of Satan in the Court of Hell;

let this letter be the ticket of pure love, for such purity have ceased to exist in the Kaliyug

and, make the omnipotent Gods and Goddesses feel ashamed at their pettiness

and accept our story of Love to be of extreme divinity,

finally considering it to be the only representative of love between two living souls,

let this letter be the autobiography of our love, granting our bondage the required validation to be in the pages of history;

let us continue this letter with a hope of the immortality of our souls,

so that even in our next lives this love gets ressurected.

Let me know what you think of it.

এক অদ্ভুত স্বপ্ন…

স্বপ্নটা দেখেছি এই কিছুদিন আগে। কিন্তু পরিষ্কার মনে আছে। স্বপ্নে খুব একটা বেশি লোকজন দেখি না। তবে এই স্বপ্নে খুব কাছের একজনকে দেখেছিলাম, তাই আরও পরিষ্কার মনে আছে। 

সকালবেলা। হালকা শীত। পরিষ্কার আকাশ। আমি বড় রাস্তার দিকে যাচ্ছি। হঠাৎ দেখি উত্তর দিক হইতে দক্ষিণ দিকে বড় রাস্তার গা ঘেঁষে আদর হাঁটছে। ডাকলাম, “আদর!” ফিরে তাকালো। মুখে সেই অদ্ভুত হাসি। সব দুঃখ কষ্ট মুছে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে সেই হাসি। ওর চোখের দিকে বেশিক্ষন তাকাতেও ভয় করে। ওরকম চোখ খুব একটা নজরে আসে না। আদরের চোখের কাছে সবার চোখ যেন মাটির পুতুলের চোখ। সে যাই হোক ওর কাছে গেলাম। হ্যান্ডশেক করবার জন্য হাত বাড়ালাম (যা আমরা প্রতিবার করি)। হাত ধরল। কিন্তু পরের মুহূর্তে যেটা হল তা অবিশ্বাস্য। মুখে হাসি আর ওই জলজ্যান্ত চোখ নিয়ে আদরের মুখটা একটা স্ট্যাচু হয়ে গেল। হাতটাও ছাড়েনি। আশেপাশে লোকজন চলাচল করছে কিন্তু কেউ কিছুই নজর করছে না (আমাদের সমাজে এরকম হওয়া অস্বাভাবিক)। মুহূর্তের মধ্যে দেখলাম হাতটা আলগা হয়ে এল। “আদর” বলে ডাকলাম, কিন্তু ও যেন কালা হয়ে গেছে। আসতে আসতে দেখলাম ও কেমন কর্পূরের মতন উবে যাচ্ছে। সিনেমার মতন। এবং কিছুক্ষনের মধ্যেই ও গায়েব [স্বপ্ন হলেও এই জায়াগায় এখনও গায় কাঁটা দেয়]। এত চটজলদি হল যে বেমালুম বোবা হয়ে গেলাম। 

বামদিক হইতে একজন বয়স্ক লোক এলেন। “কি হে বাছা? কি হল?” আমি চুপ। কথা বেরুচ্ছে না। লোকটা কয়েক মুহূর্ত পরেই বলল, “এটাই সমাজ। তুমি যখন কারুকে আপন মনে করে কথা বলতে যাও বা মিশতে চাও, তখন তারা পালিয়ে যায়। এটাই হয় সবার ক্ষেত্রে। সবাই নিজের জন্য ভাবে। অন্য কেউ এলে তারা মনে মনে কেটে পরে।” আমি উত্তরে বললাম, “কিন্তু ওই মেয়েটি তো ওরকম নয়।” লোকটা আবার বললেন, “সবাই ওরকম। কিন্তু ব্যাতিক্রমী আছে। যেমন আমি। এটা একটি মোহের বলয়। যারা বেরিয়ে গেছে মানুষ আছে। যারা ভিতরে আছে, তোমার মতন মারা যাচ্ছে। রোজ রোজ, সবসময়।” 

তারপর বাড়ি ফিরলাম কাজের পর। আদরকে ফোন করলাম, “কি রে চলে গেলি কেন? আর কোথায় গেলি?” “আমি? কই না তো! তুই তো চলে গেলি। হাওয়ার মধ্যে মিলিয়ে গেলি!” অসন্তুষ্ট হয়েই কথাটা বলছে ও। সেটাই স্বাভাবিক। “আমি ছিলাম ওখানেই”, একটু রাগের ভঙ্গিতেই বললাম। “আমিও ছিলাম।”, অবাক করে দিয়ে বলল। “দাঁড়া। বুড়োটাকে ধরি। দেখি এবার কি গল্প বলেন।”। “রোগা করে? কাঁচাপাকা দাড়ি?”, আদরের প্রশ্ন। “আজ্ঞে! তুই জানলি কি করে?”, বেশ কৌতূহল আমার তখন। হৃৎপিণ্ডের আওয়াজ পাচ্ছি। আদর যা উত্তর দিল তাতে এই ঘটনাটার একমাত্র অতিপ্রাকৃতিক কোন ব্যাখ্যা হতে পারে, “মোহের বলয় নিয়ে জ্ঞান দিচ্ছিল।” আমার মুখ দিয়ে কথা বেরুচ্ছে না। “হ্যালো! হ্যালো!” বলে ফোন রাখল আদর।

আর কিছু মনে নেই। ঘুম ভেঙে গেছে। রাতেরবেলা তখনও। মাথায় ও হাতে অসহ্য ব্যাথা। ঘেমে স্নান করে গেছি। সেদিন গরমও ছিল না। কে জানে, আবার ঘুমিয়ে গেলাম।